Top

Welcome to e-Kazi Portal

Mail :
info@e-kazi.com
Call Us :
+8801716159764
প্রেম করে বিয়ে করলে সম্পর্ক বেশি দিন টেকে না ?

প্রেম করে বিয়ে করলে সম্পর্ক বেশি দিন টেকে না ?

প্রেমের বিয়ে হলে তো কথাই নেই। দুজনের বনিবনা না থাকলে তাঁদের চেহারার মধ্যে বিষণ্নতা–কষ্ট–অভিমান ফুটে ওঠে বেশি। তার সঙ্গে একরাশ হতাশা। প্রেম করলাম, ভালোবাসলাম, সবার মতের বিরুদ্ধে দাঁড়ালাম; তারপরও এত কষ্ট কেমন করে সওয়া যায়।

সমস্যা নিয়েই এসেছিলেন এক জুটি। যখন জানতে পারি তাঁদের প্রেমের বিয়ে; অবাক হইনি। বেশ কয়েক বছর হয়ে গেলেও নিজের বা শ্বশুরবাড়ির দিকের কেউই ভালোভাবে নিতে পারেননি তাঁদের। নিজেদের বোঝাপড়ায়ও এখন কোথায় যেন চিড় ধরেছে। দুজনেই যেন নীরবে একে অপরকে বলছে, এক ছাদের নিচে থাকার চেয়ে আলাদা থাকা ভালো।

লাভ ম্যারিজ ও এ্যারেঞ্জ ম্যারিজ যেটাই করেন যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সঠিক বোঝাপড়া না থাকে তাহলে কোনটাই দিয়ে আপনি সুখি হতে পারবেন না। আর সুখি হতে হলে একে অপরের ভালো বন্ধু হতে হবে।

সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, প্রেম করে বিয়ে করলে সেই সম্পর্ক নাকি বেশিদিন টিকছে না৷ তুলনামূলক ভাবে পরিবার থেকে দেখাশোনা করে বিয়ে দিলে, সে সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে অভিযোগ একটাই, আগের থেকে পাল্টে গিয়েছে, ও আর আগের মতো নেই৷ কিন্তু আসল কারণটা কি? একজন মানুষ কি সারা জীবন একরকম থাকে? সে প্রেমের সম্পর্ক হোক বা দেখাশোনা করে বিয়ে, মানুষতো পাল্টাতেই পারে৷ হ্যাঁ, তবে যেটা মনে হতে পারে, যে একটা মানুষ যখন অপর একজনকে ভালবাসে এবং বিয়ে করে, তখন তার কাছে প্রচুর চাহিদা থাকে৷ বিয়ের পর যখন মানুষের আসল ঘরোয়া চেহারাটা বেরিয়ে আসে তখন তা আর মেনে নেওয়া যায়না৷ কিন্তু আমরা এটা ভুলে যাই যে এটাই আসল৷ এতদিন মানুষটার শুধু বাইরের সামান্য কিছু অভ্যাস আমরা দেখেছি৷ এখন সে সবসময় আমার সামনে থাকবে৷ তাই তার সারাদিনের সমস্ত গুণাবলি আমাদের মেনে নিতে হয়৷

বিরক্তিকর কিছু অভ্যাস থাকলে, সেগুলোও একইভাবে গ্রহণ করা উচিত৷ কারণ কোনও মানুষের ভালটা যেমন আমরা গ্রহণ করি, একইভাবে তার খারাপটাও গ্রহণ করা উচিত৷ তবে খারাপ অভ্যাসগুলোকে যদি পরিবর্তন করে নেওয়া যায় নিজেদের ভালর জন্য, তবে তা দুজনকেই সহায়তা করে সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখার জন্য৷

কর্তৃত্ব করবেন না: একে অপরের ওপর খবরদারি না করাই ভাল৷ সারাদিনে সবসময় প্রতিটা বিষয়ের খোঁজখবর রাখা কিছু সময় দম বন্ধ করা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে৷ আপনার প্রেমিক/প্রেমিকা কি করছে, কি খাচ্ছে কিংবা কোথায় যাচ্ছে তা জিজ্ঞেস করা অবশ্যই আপনার তার প্রতি চিন্তার প্রকাশ করে। কিন্তু এই কথাগুলো বিরক্তির পর্যায়ে তখনই পরে যখন আপনি অযথাই তার ওপর খবরদারী করতে যান। এখানে যাবে না, সেখানে কেন গেলে, এর সাথে কথা বলবে না, তার সাথে মিশবে না এই ধরণের অতিরিক্ত অধিকার খাটিয়ে কথা বলা বিরক্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে। প্রেমিক/প্রেমিকাকে বুঝতে হবে কোন আচরণটি আকর্ষণীয় এবং কোনটি বিরক্তিকর। একে অপরকে ভালোবাসার বন্ধনে বাধার চেষ্টা করুন অধিকার খাটিয়ে বিরক্তিকর কোন বন্ধনে নয়।

প্রেমের স্মৃতিচারণ করবেন না : এর আগেও আপনি অন্য কোনও সম্পর্কে জড়িত ছিলেন৷ সেই কথা মনে করে কথায় কথায় পুরানো কথা না তোলাই ভাল৷ প্রাক্তনের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্কের তুলনা করাতো একেবারেই উচিৎ নয়৷ এই অভ্যাসটি আপনার বর্তমান সম্পর্কের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। আপনি আপনার প্রাক্তনের সম্পর্কে ভালো বা খারাপ যাই বলুন না কেন আপনার বর্তমান সম্পর্কের ওপর তার প্রভাব পড়তেই পারে৷ এতে করে আপনার প্রেমিক/প্রেমিকা ভাবতে পারেন আপনার মনে এখনো আপনার প্রাক্তন মানুষটিই আছে। সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার জন্য এই সামান্য চিন্তাই যথেষ্ট। সুতরাং এই অভ্যাসটি দূর করলেই ভাল৷

একে অপরকে যথেষ্ট সময় দেওয়া : একটা ভালবাসার সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে একে অপরের থেকে আমরা সব থেকে বেশি যেটা আশা করি, তা হল তার গুরুত্বপূর্ণ সময়৷ কতটা সময় একে অপরের সঙ্গে কাটাচ্ছে তা খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ একে অপরের সঙ্গে সময় কাটানো এবং একে অপরের কথা মন দিয়ে শোনাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষটির কথা শুনলেন না বা শুনতে চাইলেন না এতে করে তিনি ভাবতে পারেন আপনি তাকে এড়িয়ে চলছেন। এই ভাবনাটি সম্পর্কের জন্য ভালো নয়। প্রেমিক/প্রেমিকার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এতে করে তিনি নিজেকে আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে করবেন। এবং সেই হিসেবে তিনিও আপনাকে গুরুত্ব দেবেন।

দোষারোপ করবেন না: সবসময় যেকোনো বিষয়ে একে অপরকে দোষারোপ করবেন না৷ অপরজন যদি ভুলবশত কোনও ভুল করে ফেলে, সেটাকে শুধরে দেওয়ার চেষ্টা করুন৷ তবে সেটাও খুব সচেতনভাবে৷ কারণ আপনার একটা ভুল কথা অন্য বার্তা দিতে পারে অপরজনের কাছে৷ তুমি এই কাজটি করেছিলে, তুমি ওই কথাটা বলেছিলে এই ধরণের কথাবার্তা আপনার ভালোবাসার মানুষটির কাছে আপনাকে শুধুমাত্রই একজন বিরক্তিকর মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করে।এই ধরণের অভ্যাস দূর করুন, সম্পর্ক ঠিক থাকবে।

অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না : ‘ওর ওই অভ্যাসটা ভাল, ও ওই কাজটা খুব ভাল করে, ওর ব্যবহার, আচার-আচরণ খুব ভাল’ এসব বলে অকারণ একজনের সঙ্গে অন্যজনের তুলনা না করাই ভাল৷ যেকোনো ভাল কাজের জন্য একে অপরের বাহবা দিন, উৎসাহ দিন একে অপরকে৷ অন্য কারো সাথে তুলনা করে তার মানসিকতাকে আঘাত করবেন না৷ অন্য একজনের সাথে তুলনা করা সব চাইতে বড় আঘাত আপনার ভালোবাসার মানুষটির জন্য। এই ধরণের অভ্যাস ত্যাগ করাই ভাল |

আমাদের নিয়মিত ব্লগগুলো পড়তে ক্লিক করুন এই লিংক এ: https://e-kazi.com/blog/list

বিয়ে ও তালাক সংক্রান্ত যে কোনো আইন বা জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা বা পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের কনসালট্যান্ট এর সাথে।

অফিস এর ঠিকানা:

e-kazi

Confidence Tower, Shahjadpur Bus-Stand, Gulshan, Dhaka-1212

হটলাইন: 01716159764

ওয়েবসাইট: https://www.e-kazi.com/

ইমেইল: info@e-kazi.com

 

Our Blog